Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English
‘আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে’
রোজার আগে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ
ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে কমল ১৬ টাকা

রোজার আগে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ

রোজার আগে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ রোজার আগে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ
রোজার আগে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ


মাত্র একদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। আর এবারও রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফলমূল, সবজি, খেজুর, ছোলা, ডালসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বড় লেবু হালিতে ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি ও ছোট লেবু হালি ৫০ টাকা। 

Advertisement

এ ব্যাপারে লেবু বিক্রেতা মোহাম্মদ হারুন বলেন, ‘এহন লেবুর সিজন না চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি। লেবুর সিজনে আমরা ১০-২০ টাকা হালি লেবু বেচতাম।’

রমজানে ইফতারের অন্যতম উপাদান খেজুর যা বর্তমানে ২৫০ থেকে ১,৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শসার দাম কেজিতে ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা হয়েছে। কাঁচামরিচ ৭০ থেকে বেড়ে ১২০ টাকা কেজি। 

রমজানের আরেক জনপ্রিয় ইফতারি ‘বেগুনি’র প্রধান উপকরণ বেগুনের দাম কেজিতে ৮০–৯০ টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০–৬৫ টাকা, চিনি ১০০ টাকা, বেসন ৮০ টাকা, মসুর ডাল ৮০ টাকা এবং খেসারি ডাল ১০০ টাকা কেজি দরে।

সবজি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের ভাষ্য, ‘কেনা দাম বেশি তাই বেচিও বেশি। গতবার রোজার চেয়ে এবার কাচা সবজির দাম অনেক কম।’

মাছ ও মাংসের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। সোনালী মুরগি কেজি ২৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৩২০ টাকা হয়েছে। ব্রয়লার ২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,২০০ থেকে ১,৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্রেতা হাসান মাহমুদ বলেন, ‘রমজান এলেই দাম বেড়ে যায়। সিন্ডিকেটের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এভাবে চলতে থাকলে নিম্নআয়ের মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।”

আরেক ক্রেতা জাহানারা বেগম বলেন, ‘আগে ১ হাজার টাকায় সপ্তাহের বাজার করা যেত আর এখন দুই-তিন দিনেই শেষ হয়ে যায়। রোজার সময় ইফতারের জন্য বাড়তি খরচ লাগে কিন্তু আয় তো বাড়ে না। বাজারে এসে প্রতিদিনই নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে বাড়তি চাহিদা, সরবরাহে ঘাটতি এবং পাইকারি বাজারের অস্থিরতা এই তিন কারণেই প্রতিবছর এ সময় দাম বাড়ে। তবে কার্যকর বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা গেলে মূল্যবৃদ্ধি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
‘আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে’

‘আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে’

Next Post
ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে কমল ১৬ টাকা

ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে কমল ১৬ টাকা

Advertisement