Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম ফের ঊর্ধ্বমুখী

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম ফের ঊর্ধ্বমুখী বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম ফের ঊর্ধ্বমুখী
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম ফের ঊর্ধ্বমুখী


বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতার রেশ ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৩৮ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছেছে। 

একই দিনে মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার মূল্য শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৬০ দশমিক ৬০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। গত কয়েক দিনের আপেক্ষিক স্থিতিশীলতার পর মূল্যবান ধাতুর এই দাম বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার দামও ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮১ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের বড় পতনের পর একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Advertisement

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যাওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় খাতে স্থবিরতার তথ্যই মূলত মূল্যবান ধাতুর দাম বাড়ার প্রধান কারণ। গত ডিসেম্বর মাসে মার্কিন পরিবারগুলো গাড়ি ও অন্যান্য ব্যয়বহুল পণ্য কেনা কমিয়ে দেওয়ায় ভোক্তা ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

মঙ্গলবার প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে যে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন কার্যক্রমও হ্রাস পেয়েছে। অর্থনীতির এই ঝিমিয়ে পড়া অবস্থা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সংকেত হিসেবে কাজ করছে যে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর বিষয়ে আরও নমনীয় অবস্থান নিতে পারে। সাধারণত সুদের হার কমার সম্ভাবনা থাকলে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বা বন্ডের তুলনায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ ও রুপার দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েন।

বিনিয়োগকারীরা এখন অধীর আগ্রহে ২০২৬ সালের মুদ্রানীতির দিকে তাকিয়ে আছেন। ধারণা করা হচ্ছে যে চলতি বছরে অন্তত দুইবার সুদের হার কমানো হতে পারে, যার প্রথম ধাপ শুরু হতে পারে আগামী জুন মাস থেকে। 

ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অফ ক্লিভল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট বেথ হ্যাম্যাক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে সতর্কভাবে আশাবাদী হওয়ার কথা বললেও সুদের হার কমাতে এখনই তাড়াহুড়ো না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে জানুয়ারি মাসের চাকরির প্রতিবেদন ও আগামী শুক্রবার প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতির তথ্য ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে চূড়ান্ত ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য যে, সুদের হার কম থাকলে স্বর্ণের মতো অ-ফলনশীল সম্পদের চাহিদা ও মূল্য—উভয়ই বৃদ্ধি পায়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকিও স্বর্ণের বাজারকে চাঙ্গা করে তুলেছে। শিল্প খাতের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি মাসে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা ইক্যুইটি ফান্ডের চেয়ে স্বর্ণের এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বেশি বিনিয়োগ করেছেন, যা একটি নজিরবিহীন ঘটনা। 

স্বর্ণ ও রুপার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতু যেমন প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বুধবার যথাক্রমে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাই বিনিয়োগকারীদের মূল্যবান ধাতুর নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনছে।

সূত্র: রয়টার্স





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
নির্বাচন ঘিরে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি টানা দুই দিন বন্ধ

নির্বাচন ঘিরে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি টানা দুই দিন বন্ধ

Next Post
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি, কী রয়েছে তাতে? 

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি, কী রয়েছে তাতে? 

Advertisement