Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

পাঁচ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

পাঁচ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক পাঁচ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
পাঁচ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক


ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সোমবার (২৭ জানুয়ারি) প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি দেশের শীর্ষ পাঁচ শিল্পোদ্যোক্তার সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। বৈঠকে তাদের মধ্যে  নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৈঠক শেষে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল সংবাদমাধ্যমকে জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে এসেছেন। এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের শীর্ষ পাঁচ ব্যবসায়ীর সঙ্গে একটি ঘরোয়া ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এ সময় আগামী দিনে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও সহজ করা এবং মার্কিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়েছে।

Advertisement

মোস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, তা কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায় এবং মার্কিন পক্ষ আমাদের কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সেটিই ছিল আলোচনার মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে কৃষি পণ্য আমদানি এবং উন্নত যন্ত্রপাতি বা ইকুইপমেন্টের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আমরা আশাবাদী।

তিনি আরও যোগ করেন, এই আলোচনা ছিল মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্রিক, যেখানে রাজনৈতিক বিষয়ের চেয়ে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাই গুরুত্ব পেয়েছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া অপর এক ব্যবসায়ী নেতা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষি পণ্য আমদানির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি জানান, দীর্ঘ আট বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টা আমদানি শুরু হয়েছে। এছাড়া পোল্ট্রি খাতের জন্য উন্নত জেনেটিক্স, সয়াবিন এবং ডেইরি খাতের মানোন্নয়নে মার্কিন সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। তবে জাহাজ ভাড়া বা ফ্রেইট কস্টের ক্ষেত্রে ব্রাজিল বা অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কিছুটা বেশি হওয়ায়, মার্কিন অর্থায়নের মাধ্যমে এই খরচ কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়েও রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ ও সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে সহায়ক হবে বলে রাষ্ট্রদূত মনে করেন। বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বন্দরের ট্রাফিক জট নিরসন এবং নীতিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কীভাবে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।

এক ঘণ্টার এই বিশেষ বৈঠকে মেঘনা গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ, নাহার গ্রুপ, টিকে গ্রুপ এবং সিটি গ্রুপের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ী নেতারা আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনার মাধ্যমে আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে এবং প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
রাজনৈতিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া নয়-ছয়ের সুদের হারে আর ফিরবে না অর্থনীতি: গভর্নর

রাজনৈতিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া নয়-ছয়ের সুদের হারে আর ফিরবে না অর্থনীতি: গভর্নর

Next Post
আর্থিক লেনদেনে তাৎক্ষণিক স্বয়ংক্রিয় নজরদারি আসছে

আর্থিক লেনদেনে তাৎক্ষণিক স্বয়ংক্রিয় নজরদারি আসছে

Advertisement