
সিনেমার গানে একের পর এক সাফল্যের পেয়েছেন সুরকার ও সংগীত পরিচালক নাভেদ পারভেজ। এবার ক্রিকেটের জন্য সুর করলেন তিনি। নাভেদের পরিচালনায় ‘জিতবে রাজশাহী ওয়ারিরর্স’ গানটি শ্রোতাদের কাছে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।
রাজশাহীর ভক্তদের থিম সং বানিয়েছে পদ্মাপাড়ের দলটি। ‘জিতবে রাজশাহী ওয়ারিরর্স’ এই থিম সংটির গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। যেখানে কণ্ঠ দিয়েছেন দৃপ্ত ও নদী। গানটিতে সুর ও সংগীত পরিচালনায় ছিলেন নাভেদ পারভেজ।
বিপিএলের টিমের জন্য প্রথমবারের মতো কাজ করেছেন নাভেদ পারভেজ। তিনি বলেন, ‘এবারের বিপিএলে রাজশাহী ওয়ারিওরসের জন্য থিম সং করেছি, এবং কোনো বিপিএল টিমের জন্য আমার করা প্রথম থিম সং, গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন, গেয়েছেন দৃপ্ত ও নদী।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে অংশ নিচ্ছে ৬টি দল। ২৩ জানুয়ারি ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে ফ্র্যাঞ্চাইজি এই ক্রিকেট লিগের। এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
২০১৪ সাল থেকে সংগীতাঙ্গনে কাজ করছেন নাভেদ পারভেজ। তার সুর করা নাটক ও সিনেমার গান এবং বিজ্ঞাপনচিত্রের জিঙ্গেল শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে রায়হান রাফী পরিচালিত ‘পরাণ’ সিনেমার গান ‘চলো নিরালায়’।
দেশের সংগীতে একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন আমেরিকা প্রবাসী নাভেদ পারভেজ। এর মধ্যে প্রশংসা কুড়ায় তপু খান পরিচালিত লিডার: আমিই বাংলাদেশ সিনেমার ‘সুরমা সুরমা’, রায়হান রাফী পরিচালিত তুফান সিনেমার টাইটেল ট্র্যাক এবং মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ওমর সিনেমার টাইটেল ট্র্যাক, তাণ্ডব সিনেমার ‘হবে তাণ্ডব’, ইনসাফ সিনেমার টাইটেল ট্র্যাক ও আইটেম গানের সংগীত পরিচালনা করেন নাভেদ।
নাভেদ পারভেজের সুর করা জনপ্রিয় গানের তালিকায় আরও রয়েছে ‘ফেরাতে পারিনি’ (রেহান রাসুল), ‘রোজ বেলাশেষে’ (মাহতিম শাকিব), ‘প্রেমের বাকি গল্প সাজাই’ (এপি শুভ), ‘দিল আমার খুশিতে ড্যাং ড্যাং করে’ (অয়ন চাকলাদার), ‘আমি পারবো না তোমার হতে’ (তাহসান, কোনাল), ‘আয়না বলনা’ (অস্তিত্ব) প্রভৃতি।