Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English
রিজার্ভ বেড়ে ৩২.৬২ বিলিয়ন ডলার
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ সুবিধা স্থগিতের সুপারিশ
চলতি মৌসুমে বিশ্বব্যাপী শস্যের মজুত বৃদ্ধির পূর্বাভাস

১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ সুবিধা স্থগিতের সুপারিশ

১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ সুবিধা স্থগিতের সুপারিশ ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ সুবিধা স্থগিতের সুপারিশ
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ সুবিধা স্থগিতের সুপারিশ


নির্দিষ্ট কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। স্থানীয় টেক্সটাইল মিলগুলোকে সুরক্ষা দিতে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতার ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের জন্য সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতকে উৎসাহিত করা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে আশির দশক থেকেই সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা দিয়ে আসছে সরকার। এ ব্যবস্থায় শুল্ক ও কর ছাড়ে কম খরচে কাঁচামাল আমদানি করা সম্ভব হয়। তবে দেশীয় বস্ত্রকল মালিকদের অভিযোগ, এই সুবিধার অপব্যবহারে প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে ভারত থেকে কম দামে সুতা আমদানি বেড়েছে। এর ফলে দেশীয় মিলগুলো ন্যায্য দামে সুতা বিক্রি করতে পারছে না এবং অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

Advertisement

দেশের বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর ও ২৯ ডিসেম্বর দুই দফা আবেদন জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন তৈরি করে, যা গত ৬ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়। ঐ প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এনবিআরকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে বস্ত্র ও পোশাক খাত থেকে, যার ৫৫ শতাংশই নিট পোশাকের অবদান। নিট পোশাক উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা, যা বাংলাদেশে মূলত ভারত থেকে আমদানি করা হয়। বিটিএমএর দাবি, দেশে এক কেজি সুতা উৎপাদনে খরচ পড়ে প্রায় তিন ডলার, অথচ ভারত একই মানের সুতা উৎপাদন করছে ২ দশমিক ৮৫ থেকে ২ দশমিক ৯০ ডলারে এবং বাংলাদেশে রপ্তানি করছে প্রায় ২ দশমিক ৫ ডলারে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত দুই অর্থবছরে বন্ড সুবিধায় সুতা আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, ফলে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত সুতার বিক্রি কমে গেছে। বর্তমানে দেশীয় সুতা কারখানাগুলো তাদের উৎপাদনক্ষমতার মাত্র ৬০ শতাংশ ব্যবহার করছে। আর্থিক ক্ষতির কারণে ইতিমধ্যে ৫০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আরো কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করছেন উদ্যোক্তারা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মনে করছে, দেশীয় সুতা কারখানা বন্ধ হলে ভবিষ্যতে নিট পোশাক খাত পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হয়ে পড়বে। এতে পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে, লিড টাইম বাড়বে, মূল্য সংযোজন হ্রাস পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে বন্ড সুবিধা থাকবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার এনবিআরের।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
রিজার্ভ বেড়ে ৩২.৬২ বিলিয়ন ডলার

রিজার্ভ বেড়ে ৩২.৬২ বিলিয়ন ডলার

Next Post
চলতি মৌসুমে বিশ্বব্যাপী শস্যের মজুত বৃদ্ধির পূর্বাভাস

চলতি মৌসুমে বিশ্বব্যাপী শস্যের মজুত বৃদ্ধির পূর্বাভাস

Advertisement