Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

তোপের মুখে শুটিং ফেডারেশন

তোপের মুখে শুটিং ফেডারেশন তোপের মুখে শুটিং ফেডারেশন
তোপের মুখে শুটিং ফেডারেশন


দেশের অন্যতম খেলা শুটিং। ১৯৯০ সালে কমনওয়েলথ শুটিংয়ে আলো জ্বালিয়েছিল। দেশের অন্যান্যদের পথ দেখিয়েছিলেন সে সময়ের শুটাররা। সেই খেলাটি এখন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে গেছে। যৌন হয়রানির অভিযোগে শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জি এম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন দেশের সাবেক নারী ক্রীড়াবিদরা। অভিযোগ জানানো হয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে। তারপরও শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের দাবি তারা নারী শুটারদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাননি। এত ঘটনা ঘটে গেছে, তা তারপরও ফেডারেশনের সেই ভ্রুক্ষেপ নেই। তারা কিছুই জানেন না।

ফেডারেশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জি এম হায়দার সাজ্জাদকে এনএসসি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। তারপর বহাল তবিয়েতই রয়েছেন ফেডারেশনে। গতকালও তিনি ফেডারেশনে ছিলেন। ফেডারেশনের বিভিন্ন সূত্রের খবরে আমরা শুনেছি সাজ্জাদ স্যারকে সরিয়ে নিয়েছে সরকার, কিন্তু তিনি প্রতিদিনই ফেডারেশনে আসেন। অন্য স্যারদের সঙ্গে রুমে বসেন, কাজ করেন। এনএসসির চিঠি সব সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি রিপোর্ট দিয়ে সাজ্জাদকে ১০ বছরের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এত ঘটনা ঘটেছে তার কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে শুটিং ফেডারেশন। সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস জানিয়েছেন তারা কোনো শুটারের অভিযোগ পাননি। জি এম হায়দার সাজ্জাদের ব্যপারে এনএসসির চিঠি পাননি। সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন কিছু শুটার বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা কথা বলছেন। তিনি চার পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্যে পালটা শুটারদেরকে অভিযোগ করেছেন।

Advertisement

সাজ্জাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের স্বার্থে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সাজ্জাদকে সরিয়ে দিয়েছে। সেই সাজ্জাদ ফেডারেশনের চেয়ারেই বসে আছেন। তার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন কিছু কাগজপত্র বুঝিয়ে দিতে এসেছেন সাজ্জাদ।’ সাজ্জাদের ব্যাপারে মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আলেয়া ফেরদৌস। গতকাল শুটিং ফেডারেশনে সংবাদ সম্মেলনে সাজ্জাদ আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি দেখে তাকে আসতে বারণ করা হয়। যখনই সাজ্জাদকে অপসারণ করা হয় ফেডারেশন থেকে, একই দিনে ফেডারেশন শাস্তি দেয় শুটার কামরুন নাহার কলিকে। কলির অপরাধ কী, তা পরিষ্কার করে বলতে পারেননি শুটিং কর্মকর্তারা। আমতা আমতা করছিলেন সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসের পাশে বসা কর্তা সারোয়ার একবার বলেন, ‘কোড অব কন্ডাক্ট ভেঙেছেন। কোন কোড অব কন্ডাক্ট ভেঙেছেন?’ সারোয়ার বললেন, ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন।’ কী শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন? এবার সারোয়ার বলেন, ‘ডিসিপ্লিন ভঙ্গ করেছেন।’ এভাবে চলতে চলতে একটা সময় আলেয়া ফেরদৌস বলেন, ‘কলি সকালে প্র্যাকটিস করলে বিকালে করে না। বাসায় অবস্থান করতে চায়। তার বাচ্চা আছে। তার কারণে সমস্যা তৈরি হয় অন্যরাও বাসায় যেতে চায়।’ বলা হলো কলি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পদক উপহার দিয়েছেন। যার নাম বলছেন তিনি কি আন্তর্জাতিক পদক জয় করেছেন? প্রশ্ন চলে গেল অন্যদিকে।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস লিখিত বক্তব্য পাঠের পরই সাংবাদিকদের তোপের মুখে পড়েন। সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রে শুটিং ফেডারেশন লিখেছিল, ‘শুটিং ফেডারেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় পরিকল্পিত, উদ্দেশ্য প্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর প্রপাগান্ডা, মিথ্যাচার এবং মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে যা ফেডারেশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি দেশের ক্রীড়া প্রশাসন ও শুটিং ক্রীড়ার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে।

শুটিং ফেডারেশনের দাবি সাংবাদিকরা মিথ্যা প্রচার করছে। কিন্তু তার এককথার কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি আলেয়া ফেরদৌস। যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম হায়দার সাজ্জাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলেন আলেয়া ফেরদৌস এবং তিন কর্মকর্তা সালাম খান, সারোয়ার, আব্দুর রহমান প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রে আলেয়া ফেরদৌস লিখেছেন-যেন আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে যোগ্য প্রতিনিধি পাঠানো হয়। এসব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে শুরুতেই তোপের মুখে পরেন সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস। কী কারণে এসব কথা লিখেছেন, কোথায় মিথ্যা কথা বলা হয়েছে-সেটি জানতে চান সাংবাদিকরা। কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি আলেয়া ফেরদৌস। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘শুটারদের দেওয়া মিথ্যা তথ্য পরিবেশন হয়েছে গণমাধ্যমে। সেটা যাচাই বাছাই হয়নি।’ সাংবাদিকরা সেটারও প্রতিবাদ করেন। এক পর্যায়ে আলেয়া ফেরদৌস বলেন, ‘চিঠি আমি স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু পড়ে দেখার সময় পাইনি।’ একথা বলে পুনরায় তিনি তোপের মুখে পড়েন। একজন সাধারণ সম্পাদক কয়েক লাইনের চিঠি পড়ে দেখার সময় পান না, তাহলে ফেডারেশন কে চালায়। তিনি কার দ্বারা পরিচালিত হন। গুঞ্জন রয়েছে তার সাজ্জাদের কথা চলে ফেডারেশন। সম্পাদকের চেয়ারে বসেন সাজ্জাদ। সংবাদ সম্মেলনে বলা হলো সাধারণ সম্পাদকের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অন্যরা গুলি করছেন কি না। একথা আলেয়া ফেরদৌস বলেন, ‘না না। আমার কাঁধে বন্দুক রেখে কেউ গুলি করছে না। এই সুযোগ আমি দেই না।’ ফেডারেশনের সদস্যকে কোচ বানিয়ে বেতন দেওয়া হচ্ছে। কেন? তারও কোনো জবাব দিতে পারেনি ফেডারেশন।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
এলপিজি সংকট নিরসনে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিকালে বৈঠক

এলপিজি সংকট নিরসনে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিকালে বৈঠক

Next Post
সত্যিই কী শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন হানিয়া আমির

সত্যিই কী শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন হানিয়া আমির

Advertisement