
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এই পর্যন্ত ৩০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে এই সংখ্যা ১০ লাখের বেশি অনলাইন রিটার্ন জমা পড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বছর সব করদাতার অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পক্ষে আইনি প্রতিনিধি কর্তৃক রিটার্ন দাখিল এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের।
এনবিআর বলছে, যাদের জন্য ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়নি, তারাও অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করছেন। গত ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এ বছরের জন্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এনবিআরের হিসাব অনুসারে, আগস্টে ২ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ জন, সেপ্টেম্বর মাসে ৩ লাখ ১ হাজার ৩০২ জন, অক্টোবর মাসে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬ জন, নভেম্বর মাসে ১০ লাখ ৪০ হাজার ৪৭২ জন এবং ডিসেম্বর মাসে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। গত বছর একই সময়ে সব মিলিয়ে ১০ লাখ ২ হাজার ২৯৮ জন করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছিলেন। করদাতাদের সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ বছর ৪০ লাখের বেশি করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করবেন এমন আশা করছে এনবিআর।
সব করদাতাকে রিটার্ন দিতে হলে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে জমা দিতে হবে। এ জন্য প্রথমে নিবন্ধন নিতে হবে। নিবন্ধন নিয়ে পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়েবসাইটে ঢুকে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা।