Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

১৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

১৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ১৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’
১৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’


মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। সব মিলিয়ে ছবিটির মোট আয় এখন দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা।

বক্স অফিস পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা)। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। বিনোদন দুনিয়ার প্রভাবশালী গণমাধ্যম ভ্যারাইটি এই তথ্য জানিয়েছে।

Advertisement



ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিলিয়ন ডলার ক্লাবে পৌঁছাতে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি সময় নিয়েছে।

  • ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ এই মাইলফলক ছুঁয়েছিল ১৭ দিনে

  • ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ নিয়েছিল মাত্র ১৪ দিন

তবে আগের দুই ছবির মতোই তৃতীয় কিস্তিটিও বড় পর্দায় শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।

উল্লেখ্য, প্রথম ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল প্রায় ২.৯ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা)। আর দ্বিতীয় কিস্তির আয় ছিল ২.৩ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা।



‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ কি ২ বিলিয়ন ডলারের ঘরেও পৌঁছাতে পারবে—এই প্রশ্নের উত্তর এখনো অনিশ্চিত। তবে সেই লক্ষ্যে ছবিটির প্রধান ভরসা আন্তর্জাতিক বাজার। কারণ, আগের দুই ‘অ্যাভাটার’ ছবির সিংহভাগ আয় এসেছিল বিদেশি বাজার থেকেই। প্রথম ‘অ্যাভাটার’: আন্তর্জাতিক বাজারে আয় ২.১ বিলিয়ন ডলার, ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’: আন্তর্জাতিক আয় ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার।

তৃতীয় কিস্তিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে চীন থেকে— চীন: ১৩৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৬ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা)। ফ্রান্স: ৮১ মিলিয়ন ডলার, জার্মানি: ৬৪ মিলিয়ন ডলার, দক্ষিণ কোরিয়া: ৪৪ মিলিয়ন ডলার।

বক্স অফিসে ২০২৫ সাল ডিজনির জন্যও দারুণ সফল হয়ে উঠেছে। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ হলো ডিজনির তৃতীয় ছবি, যা এ বছর ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। চলতি বছরে ডিজনির মোট বৈশ্বিক আয় দাঁড়িয়েছে ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা—কোভিড-পরবর্তী সময়ে যা প্রথম।



‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এর গল্পে দেখা যায়, জেক সুলি (স্যাম ওর্থিংটন), নেইতিরি (জো সালদানিয়া) ও তাদের পরিবার এক নতুন আগুনঘেরা শত্রুর মুখোমুখি হয়।

এই ছবির মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত চতুর্থ ছবি হিসেবে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক ছুঁল ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। ইতিহাসের একমাত্র নির্মাতা হিসেবে তার ঝুলিতে রয়েছে তিনটি ২ বিলিয়ন ডলারের ব্লকবাস্টার।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
বণিজ্য মেলা কেবল পণ্যের প্রদর্শনী নয়, বাণিজ্যিক উন্নয়নেরও প্রদর্শনী: বাণিজ্য উপদেষ্টা

বণিজ্য মেলা কেবল পণ্যের প্রদর্শনী নয়, বাণিজ্যিক উন্নয়নেরও প্রদর্শনী: বাণিজ্য উপদেষ্টা

Next Post
২০২৫ সালে বাংলাদেশে ২.৫৭ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এডিবি

২০২৫ সালে বাংলাদেশে ২.৫৭ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এডিবি

Advertisement