Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

মৌসুমীর সঙ্গে খুব দ্রুত দেখা হবে: ওমর সানী

মৌসুমীর সঙ্গে খুব দ্রুত দেখা হবে: ওমর সানী মৌসুমীর সঙ্গে খুব দ্রুত দেখা হবে: ওমর সানী
মৌসুমীর সঙ্গে খুব দ্রুত দেখা হবে: ওমর সানী


ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী। ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর আর দেশে ফেরেননি এ অভিনেত্রী। এদিকে মৌসুমীর স্বামী জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানীও এই আড়াই বছর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রমুখী হননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গুঞ্জন তৈরি হয়, ওমর সানী-মৌসুমীর তিন দশকের দাম্পত্যজীবনে ফাটল ধরেছে। 

তবে বারবার গুঞ্জনটি উড়িয়ে দিয়েছেন ওমর সানী। অনেক সময় বিরক্ত হয়ে আক্রমণাত্মক উত্তরও দিয়েছেন। এবার মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কারণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলেন সানী।

Advertisement

সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হলে দাম্পত্যজীবনের এই গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় ওমর সানীকে। এবারও উড়িয়ে দেন তিনি। এসব কথা যারা ছড়ায় তাদের পাগল বলেও উল্লেখ করেনিএ অভিনেতা। 



জানান, মানুষের এমন প্রশ্ন শুনতে শুনতে তিনি বিরক্ত। কেউ কেউ নাকি তার কাছে ডিভোর্স লেটারও দেখতে চেয়েছেন! মাঝে খবর প্রকাশ হয়েছিল, চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অভিমান করে দেশ ছেড়েছেন মৌসুমী। 

এই বিষয়টিও সত্য নয় বলে দাবি করেন সানী। তিনি জানান, মা ও মেয়ের দেখাশোনার জন্যই মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।

ওমর সানী বলেন, ‘মৌসুমীরা তিন বোন। সবার বড় মৌসুমী, এরপর স্নিগ্ধা, সবার শেষে ইরিন। দীর্ঘদিন ধরে ইরিন আটলান্টা ও স্নিগ্ধা ফ্লোরিডায় থাকে। আমার শাশুড়ি শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন না। তাই চিকিৎসার জন্য তাকে ওরা যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে তো সবাইকে কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই তাকে দেখভাল করা কঠিন ছিল। মূলত এ কারণেই মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া। আমিও ভিসার জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আমার ভিসা হয়নি। পরবর্তী সময়ে আমি আর আগ্রহ দেখাইনি।’

সবকিছু বিবেচনা করে ওমর সানীর সঙ্গে পরামর্শ করেই মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে যান। 

সানী বলেন, ‘মৌসুমী আমাকে বলল, ‘দেখো, বাবা মারা গেছে, শ্বশুর-শাশুড়িও মারা গেছে। আমি যদি আমার মায়ের এই সময়টাতে পাশে না থাকতে পারি, তাহলে রোজ কিয়ামতের দিন কী জবাব দেব? প্রায় ২৯ বছর তোমার সংসার করলাম একসঙ্গে, আমাকে যেতে দাও।” তারপর আমি এবং মৌসুমী সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন আমরা তার পাশে থাকব।’



মৌসুমী যখন যুক্তরাষ্ট্রে যান, ওই সময় তার মেয়ে ফাইজাও পড়াশোনার জন্য দেশটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। এই বিষয়টিও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে জানান সানী। 

তিনি বলেন, ‘সে সময় আমার মেয়ে ফাইজাও যাবে যুক্তরাষ্ট্রে। আমরা সব সময় সন্তানদের টেক কেয়ার করেছি। তাদের একলা ছেড়ে দিইনি। আসলে সন্তান বড় হয়ে গেলে একাই পথ চলো রে নীতিটা নিতে পারছিলাম না। চিন্তা করলাম, মৌসুমী মাকে দেখবে আবার মেয়েকেও দেখবে।’

সবশেষে ওমর সানী বলেন, ‘মৌসুমী সেখানে অনেক কষ্ট করে, মায়ের জন্য কষ্ট করে, তার সন্তানের জন্য কষ্ট করে। আমাদের একটা ফ্যামিলি গ্রুপ আছে, সেখানে আমাদের প্রতিদিন কথা হয়। আশা করছি খুব দ্রুত আমাদের সামনাসামনি দেখা হবে।’

 





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের থিম সংয়ে নাভেদ পারভেজ

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের থিম সংয়ে নাভেদ পারভেজ

Next Post
কাঁচা ডিমে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ

কাঁচা ডিমে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ

Advertisement