Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এসেছে ৭৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এসেছে ৭৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এসেছে ৭৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এসেছে ৭৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স


চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সাত দিনেই দেশে ৭৯ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার করে রেমিট্যান্স দেশে আসছে। 

গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা থেকে স্পষ্ট যে গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসীরা অনেক বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গতকাল রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই গতি সচল থাকলে মাস শেষে তা বড় অঙ্কের মাইলফলক স্পর্শ করবে।

Advertisement

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরু থেকে অর্থাৎ জুলাই মাস থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ২২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার ২১ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। 

এ ছাড়া বর্তমান অর্থবছরে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের এক অনন্য রেকর্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখছে।

প্রবাসী আয়ের সাম্প্রতিক চিত্র বলছে, গত ডিসেম্বর মাসে দেশে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে আসা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ। এর পর জানুয়ারি মাসেও সেই ধারা বজায় ছিল এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। 

জানুয়ারির এই আয় বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসের হিসাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক আয়। মূলত বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের উৎসাহ এবং ডলারের বাজারভিত্তিক বিনিময় হার কার্যকর হওয়ায় প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি আরও বেশি আস্থাশীল হয়ে উঠছেন।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, প্রবাসী আয়ের এই উল্লম্ফন দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয় মেটানো এবং ডলার সংকটের মোকাবিলায় প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে। 

হুন্ডি প্রতিরোধে কড়াকড়ি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুযোগও এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই গতি বজায় থাকলে বছর শেষে রেমিট্যান্স আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অনায়াসেই ছাড়িয়ে যাবে।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
বিকাশ, রকেট, নগদে এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না, বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

বিকাশ, রকেট, নগদে এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না, বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

Next Post
দাম কমার দুই দিন পর আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

দাম কমার দুই দিন পর আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

Advertisement