Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়লো মহাবিশ্বের নতুন রহস্য ‘ব্যর্থ ছায়াপথ’

নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়লো মহাবিশ্বের নতুন রহস্য ‘ব্যর্থ ছায়াপথ’ নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়লো মহাবিশ্বের নতুন রহস্য ‘ব্যর্থ ছায়াপথ’
নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়লো মহাবিশ্বের নতুন রহস্য ‘ব্যর্থ ছায়াপথ’


নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে মহাকাশে এক অভূতপূর্ব মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্যর্থ ছায়াপথ’ বলা হচ্ছে। পৃথিবী থেকে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই বস্তুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্লাউড-৯’। 

সাধারণ ছায়াপথ কোটি কোটি নক্ষত্র বা তারা দিয়ে গঠিত হলেও এই বিচিত্র বস্তুটিতে পর্যাপ্ত কোনো তারা নেই। গবেষকদের মতে, এটি মূলত ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার পদার্থ দিয়ে তৈরি একটি বিশাল মেঘ। আদি মহাবিশ্বের গঠন এবং ডার্ক ম্যাটারের রহস্যময় প্রকৃতি বুঝতে এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Advertisement

ইতালির মিলানো-বিকোকা ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক আলেজান্দ্রো বেনিতেজ-ল্যাম্বায় এই আবিষ্কারকে একটি ব্যর্থ ছায়াপথের গল্প হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, বস্তুটির একটি পূর্ণাঙ্গ ছায়াপথ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। 

বিজ্ঞানে সাফল্য অপেক্ষা ব্যর্থতা অনেক সময় বেশি তথ্য দেয় এবং এখানে কোনো তারার অস্তিত্ব না থাকাটাই বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের তাত্ত্বিক ধারণাকে সঠিক প্রমাণ করেছে। এই বস্তুটি ‘রিআয়নাইজেশন-লিমিটেড এইচ আই ক্লাউড’ বা সংক্ষেপে ‘রেলহিক’ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মহাবিশ্বের শুরুতে ছায়াপথ তৈরির সময় যেসব অবশিষ্টাংশ পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়ে গিয়েছিল, এটি তারই একটি আদিম রূপ।
ছবি: লাইভ সাইন্স

ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইএসএ)-এর গবেষক র‍্যাচেল বিটন ও অ্যান্ড্রু ফক্স এই আবিষ্কার সম্পর্কে জানিয়েছেন যে, ক্লাউড-৯ অন্ধকার মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণের জন্য একটি অনন্য জানালা খুলে দিয়েছে। মহাবিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ উপাদানই ডার্ক ম্যাটার, যা কোনো আলো নির্গত বা প্রতিফলন করে না বলে সাধারণ টেলিস্কোপে তা দেখা অসম্ভব। 

তবে ক্লাউড-৯-এ কোনো তারার আলো নেই বলে বিজ্ঞানীরা সেখানে বিশুদ্ধ ডার্ক ম্যাটার ‘হেলো’ বা বলয় কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন। এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে আরও অনেক ‘ব্যর্থ ছায়াপথ’ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে যে, এই আবিষ্কারটি মহাবিশ্বের ভৌত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণাগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করবে। 

গবেষকরা মনে করেন, প্রতিবেশী ছায়াপথগুলোর আশেপাশে এমন আরও কিছু ‘পরিত্যক্ত বাড়ি’ বা অসম্পূর্ণ কাঠামো থাকতে পারে, যা মহাবিশ্বের বিবর্তন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যায় সহায়ক হবে। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে ডার্ক ম্যাটার শনাক্ত করা সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হলেও ক্লাউড-৯ সেই অন্ধকার জগতের রহস্য উন্মোচনে এক বিরল সুযোগ করে দিয়েছে।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
বাংলাদেশের জায়গায় আইসল্যান্ডকে বসাল আইসল্যান্ড ক্রিকেট

বাংলাদেশের জায়গায় আইসল্যান্ডকে বসাল আইসল্যান্ড ক্রিকেট

Next Post
ভারতের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলেন স্বর্ণজয়ী শুটার অঙ্গদ বীর সিংহ

ভারতের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলেন স্বর্ণজয়ী শুটার অঙ্গদ বীর সিংহ

Advertisement