
চলতি বছরে মাঠের ক্রিকেটে ব্যস্ত সময় পার করবে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালে শুধু ঘরের মাঠেই পাঁচটি সিরিজ আয়োজন করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মতো বড় দল সিরিজ খেলতে আসবে বাংলাদেশে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচি প্রকাশ করেছে বিসিবি।
ফেব্রুয়ারিতে ভারত-শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের বছর শুরু হবে। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ বছরের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। এই সিরিজের তিন সংস্করণের খেলাই হওয়ার কথা ছিল একসঙ্গে। তবে মার্চ-এপ্রিলে পিএসএল থাকায় তা হবে দুই ভাগে হবে।
মার্চের ১২, ১৪ ও ১৬ তারিখ তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। এই সিরিজটি খেলে ১৭ মার্চ ফিরে যাবে পাকিস্তান। ২৬ মার্চ পিএসএল শুরু হয়ে শেষ হবে ৩ মে। পিএসএল শেষ হওয়ার পরদিনই আবার বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান। এই দফায় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে দুটি টেস্ট খেলবে তারা। ৮ ও ১৬ মে শুরু হবে এই দুটি ম্যাচ।
পাকিস্তানের বিপক্ষে এই দুই সিরিজের মাঝেই এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসবে নিউজিল্যান্ড। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে তারা। ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল হবে ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো। টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে।
জুনে বাংলাদেশে আসবে অস্ট্রেলিয়া। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে অজিরা। ৫, ৮ ও ১১ জুন হবে ওয়ানডে ম্যাচগুলো। ১৫, ১৮ আর ২০ জুন হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ২০২১ সালের পর এটি হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া দলের প্রথম বাংলাদেশ সফর। জুনে অস্ট্রেলিয়াকে আতিথেয়তা দেওয়ার পর আগস্টে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে গিয়ে দুটি টেস্টও খেলবে বাংলাদেশ।
এর আগে সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে সিরিজ ভারতের বিপক্ষে। এই সিরিজটি গত বছর হওয়ার কথা থাকলেও ভারত এক বছরের জন্য তা পিছিয়ে দিয়েছিল। সফরে থাকছে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি।
বিসিবির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ২৮ আগস্ট তিন ওয়ানডে ও সমান সংখ্যক টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশে আসবে ভারত। ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর হবে ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো হবে ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর।
ব্যস্ত বছরটা বাংলাদেশ শেষ করবে অক্টোবর-নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে। ১৮ অক্টোবর এই সিরিজ খেলতে আসবে ক্যারিবীয়রা, ২২ তারিখ থেকে তারা খেলবে একটি তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ। ২৮ অক্টোবর প্রথম ও ৫ নভেম্বর শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। এই ম্যাচগুলোও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।