
দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকে নতুন দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে।
গত ১ জানুয়ারি রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
নতুন দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকায়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।
বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
এর আগে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমানো হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছরে এটিই দেশের বাজারে রুপার প্রথম দাম সমন্বয়। গত বছর রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।