
ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলী। গত বছর ছেলে শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান। স্যোশাল মিডিয়ায় সেই সফরের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন এ অভিনেত্রী।
দেশে ফেরার পর গুঞ্জন ছড়ায়, আবার মা হতে চলেছেন তিনি।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে তাকে প্রশ্ন করলে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলতে অস্বীকার করেন বুবলী।
এতে নেটিজেনদের ট্রলের মুখে পড়েন তিনি।
বিষয়টিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বুবলী। এমনকী যারা স্যোশাল মিডিয়ায় গুঞ্জন ছড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, গত সপ্তাহে রাজধানীতে একটি শোরুম উদ্বোধনে গিয়ে বুবলী বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় এত ট্রল এবং বুলিং হতে দেখে আমার অনেক সহকর্মী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আমি কখনোই এসবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিইনি। তবে এখন মনে হচ্ছে নেওয়া উচিত। কারণ, এড়িয়ে যেতে যেতে এসব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।’
বুবলী আরও বলেন, ‘ইদানীং মেয়েরাই মেয়েদের নিয়ে বেশি ট্রল করে। হিজাব পরা অনেক আপু আছেন, যারা হিজাব পরছেন, আবার এ ধরনের গুজব নিয়ে মিথ্যা কথা বলে ভিডিও বানাচ্ছেন। আমার মনে হয়, এটা আমাদের ধর্মকে অবমাননা করা। কারণ ইসলামে এ ধরনের গীবতকে সবচেয়ে জঘন্য কাজ হিসেবে বলা হয়েছে। এ ধরনের ব্যাপার বন্ধ হওয়া উচিত। দেশে এবং দেশের বাইরে আমাদের শিল্পীদের যেভাবে ছোট করা হচ্ছে, এটা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আশা করছি দ্রুতই আমাদের দেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের নজরে আসবে বিষয়টি।’
বুবলীর মা হওয়ার গুঞ্জনের সূত্রপাত হয় একটি অনুষ্ঠানে তার নাচের ভিডিও থেকে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও দেখে অনেকে দাবি করেন, ভিডিওতে নাকি বুবলীর বেবিবাম্প বোঝা গেছে! এরপর বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে ঢিলেঢালা পোশাকে বুবলীর উপস্থিতি তার মা হওয়ার গুঞ্জন আরও বাড়িয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এত দিন চুপ থাকলেও এবার আইনি পদক্ষেপের কথা জানালেন অভিনেত্রী।
এদিন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন বুবলী।
তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে আমি কখনো থাকিনি। আমার মনে হয়, দেশের সেবা করতে হলে বা মানুষের পাশে থাকতে হলে যেকোনো পেশা থেকেই তা করা যায়। রাজনৈতিক জ্ঞান আমার হয়তো অনেক কম। কিন্তু আমি চাই দেশে স্থিতিশীলতা আসুক। সবাই সবার মতো করে ইতিবাচক পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পাক। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এটিই আমার প্রত্যাশা।’