
পবিত্র রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের টেবিলে আমরা সাধারণত ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত মসলাদার খাবার খেয়ে থাকি। তবে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর এ ধরনের খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই এখন ইফতারে হালকা, পুষ্টিকর এবং সহজপাচ্য খাবারের দিকে ঝুঁকছেন।
তাই হালকা, সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর খাবার রাখা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরি।
বুবুর আয়াম ইন্দোনেশিয়ার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় চিকেন রাইস পোরিজ বা মুরগির মাংসের জাউ ভাত। এটি মসলাদার হলেও খুব ভারী নয়। পাশাপাশি এটি হালকা হওয়ায় দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকা রোজাদারদের জন্য সহজপাচ্য। এটি সহজেই তৈরি করা যায়, যা ইফতার টেবিলে নতুন স্বাদ ও বৈচিত্র্য যোগ করতে পারে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এর প্রস্তুত প্রণালি-
উপকরণ
১. চাল ১ কাপ(পোলাও চাল)
২. চিকেন ২ কাপ (হাড় ছাড়া)
৩.হলুদ ও ধনিয়া গুঁড়া আধা চামচ
৪. রসুন কুঁচি আধা চাচামচ
৫. আদা ১ ইঞ্চি (থেঁতো করা)
৬. তেজপাতা ও লেমনগ্রাস ১ টি করে
৭. সেদ্ধ ডিম ১ টি
৮. পেঁয়াজ (বেরেস্তা) ১ টেবিল চামচ
৯. গোলমরিচ স্বাদমতো
১০. কাঁচা মরিচ কুচি১ চামচ
১১. সয়া সস ১ চা চামচ
১২. তিলের তেল আধা চামচ
১৩. পানি ৮-১০ কাপ
১৪. ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
১৫.বাদাম ভাজা ১ চা চামচ
১৬. লবণ স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালি
একটি বড় পাত্রে মুরগির মাংস, আদা, রসুন এবং পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে গেলে এটি তুলে নিন এবং ঝোলটি আলাদা করে রাখুন। মাংস ঠান্ডা হলে হাত দিয়ে ছাড়িয়ে চিকেন স্লাইস বা ছোট কুঁচি করে নিন। ধুয়ে রাখা চালটি চিকেন স্টকের মধ্যে দিয়ে দিন এবং মাঝারি আঁচে রান্না করতে থাকুন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকুন যাতে ভাতের তলা লেগে না যায়। চাল একদম গলে ঘন ক্রিমের মতো না হওয়া পর্যন্ত রান্না চালিয়ে যান। প্রয়োজনে আরও কিছু গরম পানি বা স্টক যোগ করতে পারেন। ভাত ঘন হয়ে এলে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া এবং স্বাদ অনুযায়ী লবণ মিশিয়ে নিন।
পরিবেশন
এবার একটি বাটিতে ভাত ঢালুন। তার ওপরে চিকেন কুঁচি, সেদ্ধ ডিমের ফালি, বেরেস্তা, ভাজা বাদাম এবং ধনেপাতা ছড়িয়ে সামান্য সয়া সস যোগ করুন। তিলের তেল বা লেবুর রস দিয়ে সামান্য স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ানো যেতে পারে। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।