Dark Mode Light Mode

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Follow Us
Follow Us
English English

ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি কিগানের ক্যানসার ধরা পড়েছে

ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি কিগানের ক্যানসার ধরা পড়েছে ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি কিগানের ক্যানসার ধরা পড়েছে
ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি কিগানের ক্যানসার ধরা পড়েছে


লিভারপুল ও ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি কেভিন কিগানের ক্যানসার আক্রান্ত হয়েছেন। 

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিভারপুল, নিউক্যাসল ইউনাইটেড ও সাউদাম্পটনের সাবেক ফুটবলার ও নিউক্যাসল ও ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা বিখ্যাত এই ফুটবলারের ক্যানসার শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।

Advertisement



৭৪ বছর বয়সী কিগান সম্প্রতি শারীরিক উপসর্গ দেখা দেওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং এখনো চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। কিগানের সর্বশেষ ২০০৮ সালে নিউক্যাসলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। রূপকথার মতো সাবেক ক্লাবে ফিরে এলেও পরে ক্লাবের মালিক মাইক অ্যাশলির সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

নিউক্যাসল ক্লাবের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পরিবারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কেভিন কিগানকে সম্প্রতি দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যার আরও মূল্যায়নের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষাগুলোতে তার ক্যানসার ধরা পড়েছে, যার জন্য তিনি চিকিৎসা নেবেন। চিকিৎসক দলের হস্তক্ষেপ ও ধারাবাহিক যত্নের জন্য কেভিন কৃতজ্ঞ। এই কঠিন সময়ে পরিবার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কামনা করছে এবং এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।’

একই সঙ্গে নিউক্যাসল ইউনাইটেড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিগানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লিখেছে, ‘আমাদের সাবেক খেলোয়াড় ও ম্যানেজার কেভিন কিগানের ক্যানসার ধরা পড়েছে এবং তিনি চিকিৎসা নেবেন। দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যার মূল্যায়নের জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিং কেভ—আমরা প্রতিটি ধাপে আপনার পাশে আছি। দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।’

কিগান ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত নিউক্যাসলের ম্যানেজার ছিলেন, পাশাপাশি ২০০৮ সালে স্বল্প সময়ের জন্য আবারও দায়িত্ব পালন করেন। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি ম্যাগপাইদের হয়ে ৭৮ ম্যাচ খেলেন এবং ৪৮ গোল করেন।

স্কানথর্পে ক্যারিয়ার শুরু করা কিগানের খেলোয়াড়ি জীবনের সবচেয়ে সফল সময় কেটেছে লিভারপুলে। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে তিনি ক্লাবটির হয়ে ২৩০ ম্যাচে ৬৮ গোল করেন এবং তিনটি লিগ শিরোপা জেতেন। এরপর কয়েক বছরের জন্য জার্মানিতে পাড়ি জমান। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে এসে সাউদ্যাম্পটনে কয়েক বছর খেলেন, পরে নিউক্যাসলে যোগ দেন এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৮৫ সালে ব্ল্যাকটাউন সিটির হয়ে অবসর নেন। ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে, হামবুর্গে খেলার সময় তিনি দু’বার ইউরোপিয়ান ফুটবলার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন।

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ৬৩টি ম্যাচ খেলা কিগানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও ছিল সম্মানজনক। তিনি দেশের অধিনায়কত্ব করেছেন এবং ১৯৮২ বিশ্বকাপে অংশ নেন, যদিও ১৯৬৬ সালের সেই ঐতিহাসিক দলের সাফল্য পুনরাবৃত্তি করতে পারেননি। তবে ইংল্যান্ডের ইতিহাসের তো বটেই, ফুটবল ইতিহাসের সেরাদের একজন হিসেবেই বিবেচিত হন কিগান।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হওয়ার পর তিনি জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৯৯ সালে গ্লেন হডলের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কোচ ছিলেন এবং দলকে ইউরো ২০০০-এ নেতৃত্ব দেন। তবে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর তিনি পদত্যাগ করেন এবং ক্লাব ফুটবলে ফিরে গিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির দায়িত্ব নেন।





Source link

Keep Up to Date with the Most Important News

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post
ইনজুরির যন্ত্রণায় অবসরের কথা ভাবছিলেন নেইমার

ইনজুরির যন্ত্রণায় অবসরের কথা ভাবছিলেন নেইমার

Next Post
এলপিজি সংকট নিরসনে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিকালে বৈঠক

এলপিজি সংকট নিরসনে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিকালে বৈঠক

Advertisement